‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বাতিলের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির আঙিনায় সবুজ সাফল্য: জাতীয় ফল কাঠালে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে শিবচর দীর্ঘ নজরদারির পর গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী গলাচিপায় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু জীবন সংগ্রামে জিততে চায় জুয়েল শিবচরে কবিদের মিলনমেলা, নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা নাগরিক সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ চায় কমিটি ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসুচীর উদ্বোধন রায়পুরে ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ যশোরে ট্রাকের বডিতে ঝালাইয়ের সময় প্রাণ গেল মিস্ত্রির অসুস্থতা সইতে না পেরে বৃদ্ধের বিষপান, হাসপাতালে মৃত্যু হরমুজ খোলায় বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বাঘারপাড়ায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুর সদরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘিরে পালিয়ে যাওয়া ও নির্যাতনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ২য় বছর পার করে ৩য় বছরে পদার্পণ নোয়াখালীর সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশন দেশজুড়ে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে মাদক রুখতেই হবে রংপুরে পুলিশের জিরো টলারেন্স: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার ও গাড়ি উদ্ধার চসিকের স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

ভুমিহীন,গৃহহীন বিধবা ছালেকার সংসার চলে ভিক্ষাবৃত্তিতে,জুটেনি কোন ভাতার কার্ড

লাখাইয়ে ভূমিহীন, গৃহহীন বিধবা ছালেকার  সংসার চলে ভিক্ষাবৃত্তিতে,জুটেনি কোন ভাতার কার্ড।  লাখাই  উপজেলার সিংহগ্রাম  এর মৃত মকবুল  হোসেন  স্ত্রী  ছালেকা খাতুন স্বামীর মৃত্যর পর থেকে ভিক্ষাবৃত্তিতে  অতি কষ্ঠে দিনাতিপাত করছে।


স্থানীয় ও বিধবা ছালেকার  সাথে আলাপকালে  প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় ছালেকার  স্বামী মকবুল  মিয়ার নিজের  ভিটে বাড়ীতে  যৎসামান্য  জমি জমা ও স্বামীর  আয়- রোজগারে কোন মতে সংসার  চলছিল। তার রয়েছে ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে। যথাসময়ে  ছেলেমেয়েদের বিয়েও দেন।বিয়ের পর ছেলেরা তাদের ছেড়ে চলে যায় যে যার মতো।এদিকে বৃদ্ধ  স্বামীর  আয়- রোজগার  না থাকায়  শেষ বয়সে এসে জীবন নির্বাহ করতে ভিটেমাটিটুকু বিক্রি করতে হয়।হয়ে পড়েন  ভূমিহীন। এরই মধ্য বছর দশেক পূর্বে স্বামী মকবুল  হোসেনও পরপারে চলে যান। এতে সালেকা পড়েন বিপদে।নিরুপায়  হয়ে আশ্রায়  নেন একই গ্রামের তাউস মিয়ার বাড়ীতে।  বর্তমানে  ষাটোর্ধ  ছালেকা অন্যের বাড়ীতে থেকে ভিক্ষা  করে যা আয় হয় তা দিয়ে অনাহারে ও অর্ধাহারে অতিকষ্টে দিনাতিপাত  করছে।


ছালেকা  জানান আমি শুনেছি  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার  সরকার গরীব অসহায়  ভূমিহীনদের ঘর দিচ্ছে।আমি সরকার এর কাছে একটি ঘর চাই,যাতে মরার সময় নিজের ঘরে মরতে।সে আরো জানান যেখানেই ঘর দেওয়া হোকনা কেন আমি যেতে চাই।মাথা গোঁজার ঠাঁই  চাই। এপর্যন্ত  কোন প্রকার ভাতা বা সাহায়্যের কার্ড পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে জানান আমি গরীব আমাকে কে কার্ড দিবে। ভোট আসলে অনেকে আশ্বাস দেয় পরে আর খোঁজ রাখেনা কেউ।তাই এ নিয়ে ভাবিনা।যতদিন  শরীর চলে এ ভাবেই চলতে চাই।


ছেলেরা  খোঁজ নেয় কিনা জানতে চাইলে জানান তারা কে কোথায় থাকে জানিনা।কারন বাড়ী- ঘর থাকলে হয়তো আসতো। এ ব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মোঃ শরীফ উদ্দীন  সাথে আলাপকালে  জানান নতুন করে বরাদ্দ এলে তাঁকে একটি ঘর দেওয়ার  চেষ্টা  করব।



আরও খবর