আটকের ৬ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে সাবেক ইউপি মেম্বারকে ছেড়ে দিল এসআই পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষ রোপণ ও চারা বিতরণ ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৮ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ধোবারচর জাগরণী কিশোরী সংলাপ কেন্দ্রের র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ডোবারচর জুঁই মহিলা সমবায় সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে মামলা ‘তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ’ লাখাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী। গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ রংপুরে এইচবিসি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝিনাইগাতীর দুপুরিয়ায় র‍্যালি ও বৃক্ষচারা বিতরণ শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নালিতাবাড়ীর রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কারিতাসের আয়োজনে ঝিনাইগাতীতে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও নাটক প্রদর্শনী ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ‎বিষ, প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে সুন্দরবন: বিপন্ন জীববৈচিত্র্য শ্রীবরদীতে জুলুঙ্গা রজনীগন্ধা সংলাপ ফোরামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন

মনের ক্যান্সার

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 17-10-2023 04:17:52 am

© সংগৃহীত ছবি


টেবিলের এক কোনায় থাকা ফুলদানিটি সব সময় পড়ে যায় এবং প্রত্যেকবার একটু একটু করে ভেঙে যাচ্ছে। ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে ফুলদানিটি।

দোষ ফুলদানিটির নয়, যে ফুলদানিটি ব্যবহার করছে দোষ তার। কারণ ফুলদানিটি টেবিলের কোণায় না রাখলে তা ধ্বংসের মুখে পতিত হতো না।

আমি মনের ক্যান্সার হিসেবে তুলনা করছি। বর্তমান প্রজন্মের মোবাইল ফোনের অপব্যবহারকে সময়ের স্বাস্থ্যয়ের জন্য মানুষ আবিষ্কার করেছেন মোবাইল ফোন। অথচ মোবাইল ফোন মানুষের সময়কে ক্যান্সারের মতো তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আল ফ্রেড নোবেল- উচ্চু পাহাড় সমতল বানানোর জন্য। ডিনেমাইট আবিষ্কার করেছিলো। কিন্তু কয়েক বছর পর ডিনেমাইট এর ব্যবহার হয় মানব হত্যার প্রক্রিয়ায়। ঠিক মোবাইল ফোন আবিষ্কার ও যেন নোবেল এর ডিনেমাইট আবিষ্কারকে হার মানায়।


মানুষের জীবন পরিধির মূল্যবান বিষয়বস্তুর মধ্যে সময় সর্বশ্রেষ্ঠ মূল্যবান। অথচ মানুষ এই সময়কেই বেশি অপব্যবহার করেন। একটু কষ্টে থাকলেই সুখ হিসেবে মনে করেন ফেসবুকের ই স্টোরিকে। কেউ কোন ভাবে যথার্থ কথা বললেই সুখ খুঁজতে যায় tiktok এর ইমোশনাল ভিডিওতে। আসলেই কি জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ সবাই ফেসবুক মেসেঞ্জার আর টিকটক এর মধ্যে?

উত্তরেঃ হ্যাঁ।

সুখ সেখানে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদেরকে দাস বানিয়ে রেখেছে। প্রত্যহ ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুক এর নোটিফিকেশন চেক দিতে হবে। মেসেঞ্জারে কয়টা হাই-হ্যালো এসেছে সেগুলা রিপ্লাই দিতে হবে। বন্ধুদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে। লাইক দিতে হবে একটু বাড়াবাড়ি করতে হবে। নিজের ছবিকে সুন্দর ভাবে এডিট করে অন্যের সামনে তুলে ধরতে হবে। এইতো হল আমাদের বাস্তবতা। আসলে এর মাঝে কি কোন বাস্তবতা আছে?

পাঁচ বছর আগে যে বড় ভাই টা দিনে দুইটা ছবি আপলোড দিত সে বাস্তবতার সন্ধান পেয়ে ভুলে গেছে ফেসবুক নামের শব্দটি কে। যে মেয়েটা messenger এ রিপ্লাইয়ের পর রিপ্লাই দিত আজ সে সংসারের চাপ ও সন্তানদের ঝামেলায় বড্ড ব্যস্ত। এখন ওই বড় ভাই আর আপু বলে জীবনটা তখন প্রাণহীন খেলনার পুতুল ছিল। জীবনটা বড়ই আশ্চর্যের। ফোনের চার্জ শেষ না হলে যেমন ফোনে চার্জ দিতে চায়না ঠিক তেমনি মনটা ক্যান্সারে আক্রান্ত না হলে বুঝতে পারি না কোনটা ভালো ছিল কোনটা মন্দ ছিল। কোনটা ছিল ওষুধ কোনটা ছিল বিষ।

দিনশেষে নিজের হিসাব নিজেই খুজলাম, বের করলাম ফলাফল।

নিজের গলায় নিজে দড়ি লাগিয়ে বললাম হাস লাগলো কেনো?

নিজের বুকে নিজে অস্ত্র চালিয়ে বললাম কলিজা চিরে যায় কেন?

নিজের শ্বাসনালী নিজেই বন্ধ করে বলিলাম দম নিতে পারছি না কেন?

নিজের পায়ে নিজেই শিকল লাগিয়ে বললাম সামনে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল কেন?


লেখক: নাজমুস সাকিল