প্রকাশের সময়: 02-02-2026 08:12:05 pm
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) কর্মচারীরা সরকারি কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতির শুরু করেন তারা। কর্মবিরতি চলবে আজ এবং আগামীকাল (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত।
কর্মবিরতির সময় কর্মচারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাদের প্রতিবাদ জানান, যেমন- ‘দফা এক দাবি এক, পে-স্কেল পে-স্কেল’, ‘লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘হয় পে-স্কেল দে, নইলে মুখে বিষ দে’, ‘লড়াই করে বাঁচতে হবে, এই লড়াইয়ে জিততে হবে’ ও ‘একশন একশন, ডাইরেক একশন’।
কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম রানা এই কর্মবিরতির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “প্রথমে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে, তবে এখন বলা হচ্ছে সরকার শুধুমাত্র কাঠামো দিয়ে যাবে।” তিনি আরও জানান, জ্বালানী উপদেষ্টার বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যও তাদের হতাশ করেছে। রানা বলেন, "আমরা দৃঢ়কণ্ঠে দাবি করছি যে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক। যদি তা না হয়, তবে আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি হবে লংমার্চ টু যমুনা।”
কর্মচারী সমিতির বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মচারীরা চরম আর্থিক ও মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে পুরনো বেতন কাঠামো দিয়ে জীবনযাপন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।” তিনি বলেন, "আমরা কোনো অযৌক্তিক দাবি করছি না, শুধু আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই। দ্রুত পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।”
জাককানইবি কর্মচারীরা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এবং পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য কঠোর কর্মসূচি গ্রহণেরও হুমকি দিয়েছেন।
২ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১০ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে