বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করায় গলাচিপায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ঝিনাইগাতীর রাংটিয়ায় আইপি কমিউনিটির উন্নয়নে সচেতনতামূলক সভা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি তা’মীরুল মিল্লাতে ফাজিল, কামিল ও অনার্সের নবীন শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান দুর্গাপুরে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস: পুষ্টি, উদ্যোক্তা ও টেকসই কৃষিতে গুরুত্বারোপ বাঘারপাড়া উপজেলা গেটের সামনে ‘আল-বারাকাহ রেস্টুরেন্ট এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন বর্তমানে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ হাজার মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী ‎সুন্দরবনের বনদস্যু সামাদ মোল্লা আটক, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার যশোরে ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জেলা বিএনপির লিফলেট বিতরণ কিশোরগঞ্জের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে মিজ্ সোহানা নাসরিন যোগদান করেছেন অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে দু'জনকে অর্থ দণ্ড প্রদান ঈশ্বরগঞ্জে নিশ্চিহ্নের পথে দিঘা বিলের সংযোগ খাল খননের দাবী এলাকাবাসীর হোসেনপুরে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ খেলাধুলা যে কারনে আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা নেই: ডা. জাহেদ গোয়ালন্দে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান: ১০ জন আটক, কাটারসহ সরঞ্জাম জব্দ নিয়ামতপুরে ২ জন শিশু সহ চারজন জবাই গোয়ালন্দে প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবস পালিত, অর্থাভাবে থেমে আছে ভাস্কর্য নির্মান কাজ বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষা শুরু, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত অভয়নগর সারের দোকানে মিলল হাজার লিটার জ্বালানি তেল

অভয়নগরের আঞ্জুয়ারার কষ্টের শেষ নেই

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া ভৈরব সেতুর উপরে চোখে পড়ে  উপজেলার মসরহাটি গ্রামের আনজুয়ারা বেগমের বালি কুড়ানোর দৃশ্য। 


নওয়াপাড়া ভৈরব সেতুর উপর দিয়ে বিরামহীন ভাবে ছুটে চলেছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আর বিভিন্ন প্রকারের মানুষজন। যার যার প্রয়োজনে অবিরাম ছুটে চলা।কেউবা আবার ভালো পোষাক পরে ঘুরতে আসেন সেতুতে। দৃষ্টি পড়েনা জির্ণ পোষাকের অসহায় গরিবের দিকে।


কথা হয় তার সঙ্গে। অক্লান্ত পরিশ্রমী এই অসহায় নারী বলেন ব্রীজের উপর দিয়ে কয়লার গড়ি যখন যায় তখন গাড়ি থেকে গুড়ো কয়লা ঝরে পড়ে। পাঁচ সাত দিন পর পর  বালিসহ কয়লা জমা হয়। সেগুলো কুড়িয়ে নেট দিয়ে টুকে বহু কষ্টে কয়লা সংগ্রহ করতে হয়। পাঁচ প্যাকেট বালি বোঝাই করলে  ঝাড়ার পরে ২ পেকেট কয়লা পাওয়া যায়। অবশিষ্ট যে বালি পাওয়া যায় তা বিশ টাকাই এক প্যাকেট বিক্রয় হয়। আমার স্বামী অসুস্থ তাই আমি এই কাজ করি।  স্বামীর প্রসংসায়  তিনি বলেন আমার স্বামী ভাল থাকতে এমন কষ্ট আমার কোন দিন করতে হয়নি, দোয়া করেন সে যেন ভালো হয়ে যায়। এক বছর যাবৎ এই ভাবে কাজ করছি ৬ হাজার টাকা লাগবে চিন্তাই দিশেহারা হয়ে যাচ্ছি। একটা ছেলে আছে  ৭ বছর বয়স।তিনি আরো জানান শুধু  এ জায়গাই নয় বিভিন্ন যায়গায় দূর দূরান্তে  চলে যায় কয়লা সংগ্রহে। এখানে একসপ্তাহ বালি কুড়াবো আবার এক সপ্তাহ পরে আবার আসবো।মাঝে মধ্যে মিলে আবার বাসা বাড়িও  কাজ করে সংসার চালাতে হয় তার।কে রাখে কার খবর এভাবেই চলে আঞ্জুয়ারার জীবন।

আরও খবর