যশোর শহরের রাজপথ আজ প্রকম্পিত ছিল স্লোগানে স্লোগানে। উৎসবমুখর পরিবেশে এবং শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যশোরে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের আদর্শিক শক্তি ও সংহতির জানান দিয়েছে সংগঠনটির যশোর শহর শাখা।শুক্রবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে শুরু হয় এই বর্ণাঢ্য র‍্যালি। কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করার সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন এবং সংগঠনের পতাকা। মিছিলটি মনিহার চত্বরে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য: নৈতিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম এম কলেজের সাবেক ভিপি ও যশোর-৩ আসনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আব্দুল কাদের বলেন:"শিক্ষার্থীদের কেবল মেধাবী হলে চলবে না, তাদের নৈতিকতা ও আদর্শের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে। ছাত্রশিবির গত চার দশকের বেশি সময় ধরে সেই মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করছে।"বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য অধ্যাপক শামসুজ্জামান সংগঠনের গৌরবোজ্জ্বল অতীতের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের দেশের প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহর শাখা সভাপতি আহমেদ ইব্রাহিম শামিম। তিনি তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, ছাত্রশিবিরের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করা। যশোরে এই বিশাল জনসমাগম প্রমাণ করে যে, সাধারণ শিক্ষার্থীরা নৈতিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী।অনুষ্ঠানে শহর শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুরো কর্মসূচিটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শহরবাসীর মধ্যেও ইতিবাচক কৌতূহল দেখা গেছে।


প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024