হরমুজ খোলায় বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বাঘারপাড়ায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুর সদরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘিরে পালিয়ে যাওয়া ও নির্যাতনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ২য় বছর পার করে ৩য় বছরে পদার্পণ নোয়াখালীর সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশন দেশজুড়ে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে মাদক রুখতেই হবে রংপুরে পুলিশের জিরো টলারেন্স: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার ও গাড়ি উদ্ধার চসিকের স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হরমুজ উন্মুক্ত করল ইরান ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শার্শার বাগআঁচড়ায় প্রতারিত হয়ে ভ্যান খোয়ালো ষষ্ঠ শ্রেনির ছাএ ভাসুরের ছুরিকাঘাতে নারী খুন ‎সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মি ২ জেলে উ'দ্ধা'র, অস্ত্রসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য আটক ময়মনসিংহে ৮০ বছর বয়সী ইমামতিকে সম্মাননা শ্রীমঙ্গলে সাইটুলা মাদ্রাসা ভবণ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন লালপুরে কোরাআন বিতরণ ও সবক প্রদান লাখাইয়ে কলেজের লাগোয়া ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা ও ভূলবুঝাবুঝি। রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি পেল বাংলাদেশ

৭ শিক্ষকের ৬ শিক্ষার্থী, তারপরও সবাই ফেল

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 13-05-2024 11:31:57 am

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার চৌমহনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা সাত। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে ছয় পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। রবিবার ঘোষিত ফলাফলে সকলেই অকৃতকার্য হয়েছে।


জানা গেছে, উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নে ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর ২০০৩ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ২০২২ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।


শিক্ষক রয়েছেন সাতজন। কর্মচারী রয়েছেন পাঁচজন। বিদ্যালয়ে সর্বশেষ দশম শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থী ছিল। সেই ১১ শিক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ছয় শিক্ষার্থী অংশ নেয়।




বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো মানবিক বিভাগ থেকে সবাই পরীক্ষা দেয়। তাদের মধ্যে চারজন ছাত্রী ও দুজন ছাত্র। ছাত্রদের মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী। পরীক্ষায় কেউ পাস করতে পারেনি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিলকিস বানু জানান, বিদ্যালয়টি একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে প্রতিষ্ঠিত।


এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ হতদরিদ্র। এ কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবারের আয়ের কাজে অংশগ্রহণ করতে হয়। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিতি কম থাকায় লেখাপড়ায় ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি রয়ে যায়। তবে আগামীতে বিদ্যালয়ের পড়ালেখার বিষয়ে নজর দেওয়া হবে।


বিদ্যালয়ের সভাপতি মজিবর রহমান জানান, নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষক সংকট রয়েছে। তার পরও লেখাপড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের চেষ্টার কমতি ছিল না। বিদ্যালয়ের যে দুর্বল দিকগুলো আছে সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও খবর