হরমুজ খোলায় বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বাঘারপাড়ায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুর সদরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘিরে পালিয়ে যাওয়া ও নির্যাতনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ২য় বছর পার করে ৩য় বছরে পদার্পণ নোয়াখালীর সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশন দেশজুড়ে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে মাদক রুখতেই হবে রংপুরে পুলিশের জিরো টলারেন্স: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার ও গাড়ি উদ্ধার চসিকের স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হরমুজ উন্মুক্ত করল ইরান ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শার্শার বাগআঁচড়ায় প্রতারিত হয়ে ভ্যান খোয়ালো ষষ্ঠ শ্রেনির ছাএ ভাসুরের ছুরিকাঘাতে নারী খুন ‎সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মি ২ জেলে উ'দ্ধা'র, অস্ত্রসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য আটক ময়মনসিংহে ৮০ বছর বয়সী ইমামতিকে সম্মাননা শ্রীমঙ্গলে সাইটুলা মাদ্রাসা ভবণ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন লালপুরে কোরাআন বিতরণ ও সবক প্রদান লাখাইয়ে কলেজের লাগোয়া ভূমি ক্রয়বিক্রয় কে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা ও ভূলবুঝাবুঝি। রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রায়পুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল চায়ের দোকান, নিঃস্ব দোকানি মোস্তফা কামাল রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি পেল বাংলাদেশ

মোংলায় শুরু হয়েছে শতবছরের ঐতিহ্যবাহী চাঁদপাই মেছেরশাহ মেলা

পীর মেছেরশাহর মাজারে শুরু হয়েছে মেলা


দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় মেলা পীর মেছের শাহের মেলা। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পঞ্চম চাঁদের দিনে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপাইয়ে পীর মেছের শাহের মাজারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে এ মেলাকে আবার কুলুপশাহর মেলাও বলে থাকে।কারন এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হলো মাজারের পীরের ভক্ত ও ফকিরদের মুখে কুলুপ নেয়ার বিরল দৃষ্টান্ত।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাৎসরিক উরস উপলক্ষ্যে শতবর্ষী এই মেলায় যোগ দিতে আসেন ভক্তরা। আর এ অঞ্চলে তখন বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ।

মেলা আয়োজকরা জানান, এটি এ অঞ্চলের একমাত্র মেলা, যা ১০০ বছরেরও অধিক সময় ধরে চলে আসছে। সংস্কৃতির এ ধারাটি এখানকার মানুষদের আবেগ ও অনুভূতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে।এ মেলায় দোকানের সাজানে পশরারয় ঘর গৃহস্থালির প্রায় সব রকম জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এখানে কসমেটিক্স পণ্য, শিশুদের খেলনা, বাঁশ ও বেতের জিনিসপত্র, মাটির পুতুল, কাঠ ও প্লাইউডের আসবাবপত্র পাওয়া যায়। এছাড়াও এখানে রয়েছে নানা রকমের খাবার দোকান। বিভিন্ন রকম মিষ্টির পসরা সাজিয়ে বসেছেন ময়রারা। বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলা, চড়কি প্রভৃতি।

খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে মেলায় আসা অনেকে জানান তাদের পুরনো স্মৃতির কথা ছোটবেলা থেকে অনেকে বাবার সঙ্গে এ মেলায় আসতে শুরু করেন। এবার তারা বরাবরের ন্যায় বাস যোগে ৫৫ দলে দলে এসেছেন। আরো অনেক দর্শনার্থী বলেন, এ মেলায় ধর্মবর্ণনির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের জমায়েত হয়। এ মেলা থেকে আমরা গৃহস্থালি জিনিসপত্রের পাশাপাশি স্টিল ও কাঠের আসবাবপত্র কিনে থাকি। স্থানীয়রা জানান প্রতিটি মানুষের জন্য সুস্থ বিনোদন প্রয়োজন। কিন্তু তা আজ খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে মোংলায় শত বছরের পুরোনো পীর মেছের শাহ মেলাটি এখনো টিকে আছে। এটি ধরে রাখতে সংশ্লিষ্টদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

মাজারটির অন্যতম খাদেম ফকিররা বলেন, ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে উরশ চলে আসছে এবং এখন সেটি কলেবরে অনেক বেশি জাঁকজমক আকার ধারণ করেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার কল্যাণে এখন অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এখানে এসে পীর মেছের শাহের মাজারে জিকির করে থাকেন। অনেকের বিশ্বাস এখানে কোনো কিছুর মানত করলে তা পূরণ হয়। মোংলা থানা প্রশাসনের কর্তব্যরতরা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মেলায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পুলিশের সদস্যরা শিফট ওয়ারী তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও খবর