জয়পুরহাটে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ দিনাজপুরে পায়ের রগ কেটে স্বামীকে হত্যা সাবেক স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে পরিবেশ রক্ষায় সোচ্চার সাতক্ষীরাবাসী সাতক্ষীরায় শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেন্সিডিল জব্দ সাতক্ষীরায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাদকবিরোধী শপথ ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, স্বস্তি এলাকাবাসীর মধুপুরে গারো আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ক্ষেতলালে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার - ৫ জাতীয় দৈনিক নতুন আশা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হলেন কচুয়ার সন্তান সাংবাদিক মোঃ আকাশ মিয়াজী বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড স্কুল ফিডিংয়ে তেতো ডিম, ক্ষুব্ধ শিক্ষক-অভিভাবক নতুন মামলায় কারামুক্তি আটকে গেল সেঁজুতির ক্ষেতলালে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ষাটোর্ধ বৃদ্ধ গ্রেফতার জনবান্ধব বাজেট পেশ করায় শার্শার বাগআঁচড়ায় শুভেচ্ছা মিছিল লাখাইয়ে সাংবাদিক প্রোটন দাশগুপ্ত এর ২৭তম প্রয়ানদিবসে স্মরণ সভা। বারইয়ারহাটে উমরাহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবি ব্যাংকের শ্রীমঙ্গলে কৃষিঋণ বিতরণ কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করায় এক ব্যক্তির ১ বছরের কারাদণ্ড আশাশুনিতে আমদানীকৃত ভারতীয় অবৈধ বাগদার ডিম জব্দ, মালিককে না পেয়ে ড্রাইভারকে জরিমানা। নোয়াখালীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক-১

পবিপ্রবিতে ছাত্রী হলে তল্লাশিতে পুরুষ স্টাফের উপস্থিতি, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ছাত্রীদের আবাসিক হল ‘কবি সুফিয়া কামাল হলে’ নিয়মিত তদারকি চলাকালে পুরুষের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


১৪ আগস্ট রাতে পবিপ্রবির কবি বেগম সুফিয়া কামাল হলে, প্রভোস্টের উপস্থিতিতে ছাত্রীদের নিয়মিত সিট তদারকিতে সহকারী প্রভোস্টগণ যান। একইসাথে ইন্ডাকশন চুলা ও হিটার জব্দেও অভিযান চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই অভিযানে হলের এক পুরুষ ইলেকট্রিশিয়ান ছাত্রীদের রুমে প্রবেশ করেন, এমনকি একটি রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়।


শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন, র‍্যাগ ডে উপলক্ষে যখন অধিকাংশ ছাত্রী হলে ছিলেন না, তখনই কেন প্রভোস্টদের তদারকিতে আসতে হলো? অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, হলে নিম্নমানের খাবার ও ডাইনিংয়ের টোকেন সিস্টেমের কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে নিজেরাই রান্না করেন। এক ছাত্রী বলেন, “খাবারের মান ভালো হলে আমাদের ইন্ডাকশন ব্যবহার করতে হতো না। এতে সময়ও বাঁচত, পড়াশোনাতেও মনোযোগ দেওয়া যেত।”


এ প্রসঙ্গে ফিসারিজ অনুষদের ছাত্রী দিনা বলেন, “মেয়েদের হলে পুরুষের প্রবেশ কোনোভাবেই কাম্য নয়। ছাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসরে এভাবে পুরুষদের ঢোকানো অসম্মানজনক।”

পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রী রুমালি বলেন, “শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার অপরিহার্য। কিন্তু হলে খাবারের মান এত খারাপ যে বাধ্য হয়ে রান্না করতে হয়।”


“অনুষ্ঠানের দিনে তদারকি কেন?”—এমন প্রশ্নে কবি বেগম সুফিয়া কামাল হলের সহকারী প্রভোস্ট মোছা. নিলয় জামান শান্তা বলেন, “সকল শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে যায়নি, বেশ কিছু ছাত্রী হলে থাকায় আমরা গিয়েছিলাম নতুন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য রুম খালি আছে কি না তা খুঁজে দেখতে। এ সময় কিছু রুমে হিটার ও ইন্ডাকশন পাওয়া গেলে সেগুলো জব্দ করা হয়।”


রুমে তালা ভাঙা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “একটি রুমে ছাত্রী থাকা সত্ত্বেও বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। বারবার ডাকার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে কোনো অঘটন ঘটেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তালা ভাঙতে হয়। পরে জানা যায়, ওই ছাত্রী প্যানিক অ্যাটাকে ভুগছিল এবং তার কাছে চাবি ছিল না। জরুরি অবস্থায় তাকে হেলথকেয়ারে নিতে তালা ভাঙতে বাধ্য হয়েছিলাম।”


পুরুষ ইলেকট্রিশিয়ানের উপস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “হলে পুরুষ শিক্ষক বা কর্মচারী প্রবেশ করলে বাঁশি বাজানো হয়, যাতে ছাত্রীরা প্রস্তুতি নিতে পারে। ইলেকট্রিশিয়ানকে কেবল জব্দ করা হিটার ও ইন্ডাকশন খুলে আনার জন্য নেওয়া হয়েছিল, তাকে দিয়ে কোনো তল্লাশি করানো হয়নি।”


অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, “ইতোপূর্বে হলে ইন্ডাকশন বা হিটার জব্দ করার সময় কখনো পুরুষ কর্মচারীর প্রয়োজন হয়নি। পাশাপাশি এবার কোনো সতর্ক সংকেত (বাঁশি) দেওয়া হয়নি। এবারের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অযৌক্তিক।”


এমন সমালোচনার জবাবে সহকারী প্রভোস্ট নিলয় জামান শান্তা বলেন, “ছাত্রীদের নিরাপত্তা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য যেকোনো তদারকিতে আর পুরুষ কাউকে সঙ্গে নেওয়া হবে না।”


খাবারের নিম্নমান ও টোকেন সিস্টেম প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “খুব দ্রুতই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে এসব বিষয়ে আলোচনা করা হবে। খাবারের মান উন্নয়ন ও টোকেন সিস্টেম থাকা না থাকা বিষয়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"


এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: ইকতিয়ার উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “প্রশাসনিক কিছু কাজে আমি ক্যাম্পাসে না থাকায় এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে পারিনি। আমি ক্যাম্পাসে ফিরেই এ ব্যাপারে তদারকি করবো।”


সাধারণ শিক্ষার্থীরা সমস্ত ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও দ্রুত কার্যকর সমাধান আশা করেছেন।

আরও খবর





6a0625c810b49-150526014304.webp
দেশের ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

৩১ দিন ১৭ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে