নরসিংদী পলাশে অবৈধভাবে মওজুদ কৃত ৯ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার ও জরিমানা পদ্মা ভাঙে, চর জাগে—তবু থামে না পদ্মার পারের মানুষের জীবনসংগ্রাম বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই--শিক্ষামন্ত্রী বানিয়াচংয়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা এসআই কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আসামিদের রক্ষায় বাদীকে মামলায় হয়রানির করায় এসপির কাছে অভিযোগ অভয়নগরে বাঁশবাগান থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর সফর সফল করতে বাঘারপাড়ায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের যৌথ প্রস্তুতি সভা কচুয়ায় শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে খাজনা ও পরিবহন টোল আদায় বন্ধ! স্বস্তিতে ফিরেছে জনজীবন মিরসরাইয়ে শহীদ রওশন-জামান নূরানী মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিবচরের প্রবাসীর ইসলামপুরে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাপাহার চৌধুরী চাঁদ মোহাম্মদ মহিলা কলেজ নবীন বরণ অনুষ্ঠানে 'এমপি' মোস্তাফিজুর রহমান জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী দোয়া মাহফিল ববি ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি সিফাত, সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল আশাশুনিতে কেন্দ্র সচিব ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে সভা চিলমারীতে "বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কমিটি গঠিত" হয়েছে। নড়িয়ায় ২ টাকায় নদী পারাপার : ইজারামুক্ত খেয়াঘাট চালু, জনমনে স্বস্তি শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফুর রহমানকে বিএনপির আহবায়ক কমিটিসহ দলীয় সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি, স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা যশোরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডা. রাফসানের মামলা: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শ্রীপুরে ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ, ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ সদস্য

পৃথিবীর যে চার নদীর 'উৎস' জান্নাতে

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 22-08-2025 08:38:18 am

এ নদীগুলো ইসলামের ঐতিহ্যকে সমুন্নত করেছে। © ছবি : সংগৃহীত।


সহিহ মুসলিমের হাদিসে চারটি নদী জান্নাতের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, পৃথিবীতে এমন ৪টি নদী প্রবাহিত হয়েছে, যেগুলো জান্নাতের নদীগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এ নদীগুলো শুধু ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তাদের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ইসলামের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।


সহিহ মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী, ফোরাত, নীল, সাইহান ও জয়হান- এই চারটি নদী জান্নাতের নদী হিসেবে চিহ্নিত। এই নদীগুলো কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, জান্নাতের আশীর্বাদস্বরূপ এক মহা নিদর্শন।


নীল নদ (মিশর): নীল নদটি সহিহ মুসলিমে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নীল ও ফোরাত জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে রয়েছে।’ (মুসলিম ১৬৪)


নীল নদীর ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সবচেয়ে বিখ্যাত সংযোগ হল নবী মুসা (আ.) এর গল্প। তার মা ফেরাউনের আদেশ থেকে তাকে রক্ষা করার আশায় একটি ঝুড়িতে রেখে নীল নদীতে ভাসিয়ে দেন, যা অবশেষে ফেরাউনের পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। মুসার নবী হওয়ার যাত্রা শুরু হয় সেখান থেকেই। মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের চারটি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি আভ্যন্তরিক। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফুরাত। (মুসলিম ১৬৪)


জয়হান নদী (তুরস্ক): সহিহ মুসলিমে জয়হান নদীকে জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীতে আমরা যে সব উপহার উপভোগ করি তা জান্নাতের অফুরন্ত দানের একটি ক্ষুদ্র ঝলক।


এ নদী পূর্ব তারাস পর্বতমালার নুরহাক পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে মিশেছে। এটি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রাকৃতিক সীমানা ও বিভিন্ন সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে পরিচিত ছিল। জয়হান নদীর ডেল্টা এর সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত, যা বিভিন্ন পাখির প্রজাতির আবাসস্থল ও সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাসস্থান সরবরাহ করে।

 

অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিশরের) নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম। (মুসলিম ২৮৩৯)



সিহান নদী (তুরস্ক): সিহান নদী, যা সেরাস নামেও পরিচিত, সিলিসিয়া অঞ্চলের দীর্ঘতম নদী। এটি প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে।


প্রাচীন লেখকরা সিহান নদী সম্পর্কে বিশদভাবে লিখেছেন, এটি ঐ অঞ্চলের সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ নদীটি কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে গম, ভুট্টা, বার্লি, তুলা, ফল এবং সবজি চাষ করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ।


ফোরাত নদী (ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক): রসুলুল্লাহ (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, এক সময় আসবে যখন ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন করবে, এ নিয়ে মানুষ সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। তিনি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বলেছেন, ‘ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন না করা পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না। এ নিয়ে লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হবে, এবং একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন নিহত হবে।’


৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে হুসাইন (রা.) এবং তার সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়ার বাহিনী ফোরাত নদীর পানি থেকে বিরত রাখে। 

আরও খবর