বাহাগিলী যমুনেশ্বরী একুইডাক্ট সংলগ্ন এলাকাটি যেন কাশফুলের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। বিস্তৃত এলাকাজুড়ে রাজত্ব করছে কাশফুল। দুর থেকে দেখে মনে হবে এ এক কাশফুলের স্বর্গরাজ্য। দেখা গেছে, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের যমুনেশ্বরী একুইডাক্ট সংলগ্ন যমুনেশ্বরী নদীর চরে এ কাশবনের ভেতরে ঢুকলেই চারদিকে কাশফুলের বিস্তৃত স্বর্গরাজ্য। তাই বিকালের মৃদু হাওয়ায় কাশবনে বসে কেউ গল্প করছেন। আবার কেউ নিজের ছবি তুলছেন। আর পড়ন্ত বিকেলের সাথে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের ভিড়। ঘুরতে আসা কাশফুল প্রেমী সুমন জানান, কাশফুলের দোলাচল প্রকৃতিপ্রেমী যে কারও মনে ক্ষণিকের জন্য হলেও প্রশান্তি জোগাবে। মনের প্রশান্তির জন্যই এখানে বেড়াতে এসেছেন তারা। আরও বলেন, শরৎ মনে জাগিয়ে দেয় কাশফুল, স্বচ্ছ নীল আকাশে সাদা মেঘ আর দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের কথা।কাশফুলের গন্ধ নেই, কাশফুল প্রিয়জনের জন্য উপহার হিসেবে দেয়ার ফুলও নয়। তবে কাশফুলের মধ্যে রয়েছে রোমাঞ্চকর উন্মাদনা। যা দেখে মন ভালো হয়ে যায়। কাশফুলের এই শুভ্রতা এবং স্নিগ্ধতা ছুঁয়ে দেয় প্রতিটি হৃদয়।
কাশবনে ঘুরতে আসা নিজের অনুভূতির থেকে আরেক প্রেমী জানান, সাদা আর সবুজের মিলনমেলায় বাহাগিলী যমুনেশ্বরী একুইডাক্ট সংলগ্ন নদীর তীরে ঘুরে বেড়ানোর অনুভূতিই অন্যরকম। সাদা মেঘের সঙ্গে এ কাশফুলের সাদা রং মনকেও সাদা করে দেয়। শরৎ কাশবনকে অপরূপ সাজে সাজিয়েছে। কাশবনকে উদ্দেশ্য করে পেয়ারুল ইসলাম বলেন, আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে মানুষ খুব একা হয়ে পড়ছে। যার প্রভাব পড়ছে তার সামাজিক ও মানসিক জীবনে। মনকে সজীব রাখতে মানুষকে যেতে হবে প্রকৃতির কাছে। তাহলেই আমরা সকল বাধা ভেদ করে এগিয়ে যেতে পারবো সুন্দর আগামীর পানে। তার জন্য এই কাশবন অগনেকটাই পরিবেশ বান্ধব। আপনি যদি প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে থাকেন, তাহলে চলে আসেন বাহাগিলী যমুনেশ্বরী একুইডাক্ট সংলগ্ন যমুনেশ্বরী নদীর পাড়ের এই স্বর্গরাজ্যে।
৬ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে