জামালপুরের ইসলামপুর থানায় দায়ের করা পৃথক দুইটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে জামালপুর চিফ জুডিয়ালসিয়াল আদালতে ইসলামপুর থানা-পুলিশ আসামিদের হাজির করলে সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলো, উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের জিগাতলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে ইছা নবী ওরফে নবী (৫০) এবং পাশ্ববর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাখিয়া ইউনিয়নের গোয়ারপাড়া গ্রামের মলজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ফুলু (৪৩)।
এর আগে ইসলামপুর থানা-পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর র্যাব-১৩ এর সদস্যরা রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে ইছা নবী ওরফে নবীকে আটকের পর পীরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া একই রাতে সিলেট র্যাব-৯ এর সদস্যরা সিলেটের শাহপরান থানা এলাকা থেকে
মোহাম্মদ ফুলুকে আটকের পর শাহপরান থানায় হস্তান্তর করেন। পরে ইসলামপুর থানা-পুলিশ ওই দুই আসামিকে জিম্মায় নেন।
ইসলামপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন গভীর রাতে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে নিজবসত ঘর থেকে তোলে নিয়ে বাড়ির উঠানে কুলকান্দী ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুর রহিম খন্দকারকে কুপিয়ে হত্যা করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। ১ জুলাই তাঁর স্ত্রী রেহেনা খন্দকার বাদী হয়ে ২১ জনের নামে থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৭ নম্বর আসামি ইছা নবী ওরফে নবী। এ ছাড়া নিখোঁজের দুই দিন পর বহ্মপুত্র নদ থেকে ২ সেপ্টেম্বর মনিরুল নামে এক কৃষককের লাশ উদ্ধার করে শেরপুর সদর থানা-পুলিশ। মনিরুল বোলাকীপাড়া গ্রামের মৃত কছর হাজির ছেলে। এঘটনায় ৯ সেপ্টেম্বর ১০ জনের নামে মনিরুলের মা জহুরা আক্তার বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মোহাম্মদ ফুলু।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান বলেন 'আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রংপুরের র্যাব সদস্যরা ইছা নবী ওরফে নবীকে এবং সিলেটের র্যাব সদস্যরা মোহাম্মদ ফুলুকে আটক করে। পরে আমরা আসামিদের ইসলামপুর থানায় এনে আদালতে সোপর্দ করলে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৬ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
১৬ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১৮ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
১৮ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে