সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় ‘ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ব রকমের মিষ্টি। যার কারনে দুর্গন্ধে বর্জ্যে এখন পুরো এলাকা যেন এক বিষাক্ত গ্যাস পরিণত হয়েছে। তীব্র গরমে পচা বর্জ্যের অসহনীয় দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছে স্থানীয়দের। অসুস্থতা, বমি ভাব ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন পথচারিসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের পর দিন কারখানার বর্জ্য খোলা জায়গায় ও খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হচ্ছে যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু দুর্গন্ধই নয়, এই বর্জ্য থেকে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগজীবাণু। মাছি, পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। অভিযোগ উঠেছে, সেই মাছি মিষ্টির উপর বসছে, এমনকি মিষ্টির ভেতরেও পোকামাকড় পাওয়া গেছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি।এক ক্ষুব্ধ পথচারী দেবাশীষ দাশ বলেন, এটা কোনো কারখানা না, এটা একটা বিষের ডাম্পিং স্টেশন! আমরা কি এখানে মানুষ হয়ে থাকতে পারব না? প্রশাসন কি সব দেখেও না দেখার ভান করছে?
রফিকুল ইসলাম নামে আরেক পথচারী বলেন, রাস্তার পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলায় যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, দুর্গন্ধে পথচারীরাও নাকে কাপড় রেখে চলাচল করছে।
অভিযোগের বিষয়ে কারখানার স্বত্বাধিকারীরা বাবু শিবুপদ কাছে একাধিকবার ফোন করলেও কল রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো এত অভিযোগ, এত ভোগান্তির পরও প্রশাসনের ভূমিকা একেবারেই নীরব। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কার স্বার্থে এই নীরবতা? কেন নেওয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা?এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে আনা হোক। স্থানীয় ও পথচারিদের অভিযোগ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
৩ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে