প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ক্ষেতলালে জমে উঠেছে দুইশো বছরের পুরনো ঘুড়ির মেলা; চলবে দুইটি ব্যাপী ‎সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও মোংলা বন্দর সুরক্ষায় কোস্ট গার্ডের কঠোর অবস্থান: জয়মনির ঘোল হামলায় তোলপাড় ‎ আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধে ‘হতবাক’ নেতানিয়াহু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য এবারের বাজেট করা হয়েছে --পুতুল মধুপুরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও ইনোভেশন আইডিয়া দিনব্যাপী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত বামনডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘বামনডাঙ্গা যুব সমাজ উন্নয়ন প্লাটফর্ম’-এর আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও গভীর হবে, অচিরেই খুলছে ট্যুরিস্ট ভিসা: নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী লালপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু বাংলাদেশে অর্থনীতির যে মুল চালিকাশক্তি, তা সবই প্রসারিত হয়েছিল শহীদ জিয়ার হাত ধরে -ডা. জাহিদ হোসেন মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ: দিনাজপুরে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত। সান্তাহারে প্রতিবেশির বাসা থেকে শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ গোয়ালন্দে ‘স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি-২০২৬’ অনুষ্ঠিত ঈশ্বরগঞ্জে স্টার্টআপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন শ্যামনগরে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা শেরপুরের ঝিনাইগাতীর কৃতী সন্তান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের ইলিজারভ ফেলোশিপ অর্জন নাটোরের সিংড়া উপজেলায় উপজেলা পর্যায়ে “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি” অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাগেশ্বরীতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা: আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা সরকারের আছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 29-06-2024 12:27:14 pm

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট মোটেও উচ্চাভিলাষী নয়, এই বাজেট বাস্তবায়নের মতো চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সক্ষমতা সরকারের আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


তিনি বলেন, আমি মোটেই বাজেটকে উচ্চাভিলাষী মনে করি না। একটা লক্ষ্য আমরা স্থির করি। শতভাগ কখনো পূরণ হয় না। তারপরও আমাদের সুনির্দিষ্ট একটা লক্ষ্য থাকে যে এখানে আমরা যাবো। সেটা আমরা যেতে পেরেছি। কোথায় ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট, আর কোথায় ৭ লাখ কোটি টাকার বাজেট! আমরা তো এই জায়গায় আসতে পেরেছি।


২৯ জুন, শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ নিয়েছি বলেই (বড় বাজেট বাস্তবায়ন) সম্ভব হয়েছে। আমাদের ইচ্ছাটা কী? দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন। সেজন্যই তো উন্নয়নটা হয়। আমাদের উন্নয়নের ধারা যেন অব্যাহত থাকে সে লক্ষ্যেই আমরা এই বাজেট প্রণয়ন করেছি এবং উন্নয়ন বাজেট দিয়েছি। এখানে কমানোর কিছু নেই।


তিনি বলেন, এই বাজেটের মধ্যে আগামী দিনে আমরা যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছি ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল, সেটি বাস্তবায়নে সক্ষম হবো। সে ধারাবাহিকতা আমাদের আছে। আমরা একটা রাজনৈতিক দল করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আমাদের কিন্তু নিজেদের ঘোষণাপত্র আছে, আমরা কিন্তু নির্বাচনের আগে ইশতেহার ঘোষণা করি। এই ইশতেহার আমরা কখনো ভুলে যাই না। জাতির কাছে যে ওয়াদা দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা ক্ষমতায় এসেছি, তা পালন করি। এই বাজেট প্রণয়নকালীন আমাদের যে নির্বাচনী ইশতেহার, সেটির অগ্রাধিকার এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে দিক নির্দেশনা- সেটাও বাজেটে উঠে এসেছে।


শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস সর্ববৃহৎ বাজেট আমরা দিয়েছি। বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বাজেটের ওপর এ পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতাসহ ২৩৪ জন সংসদ সদস্য বক্তব্য রেখেছেন। তারা বাজেটের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। এর বাইরে অনেকেই বাজেট নিয়ে আলোচনা করেছেন।


বাজেট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যে যাই করুন তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বলেছেন, কেউ বলেছেন ঘাটতি বাজেট। কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদলীয় নেতা বললেন এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, আমাদের প্রবৃদ্ধির হার কমাতে হবে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কমাতে হবে... ইত্যাদি। এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মতো সক্ষমতা আছে কি না। চ্যালেঞ্জ নেওয়াটাই তো আমাদের কাজ। চ্যালেঞ্জ নিয়েই তো আমরা চলতে চাই, চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।


তিনি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশ সারাবিশ্বে মর্যাদার আসনে আসতে পেরেছে। আজকের বাংলাদেশ হাত পেতে ভিক্ষা চাওয়ার বাংলাদেশ নয়। আমরা উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করি এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করি। যারা পরিবর্তনগুলো দেখেন না তাদের বলবো গ্রামে যান। গ্রামের মানুষের যে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, এরশাদের উত্তরবঙ্গে যে মঙ্গা নেই, সেটাও দেখবেন। কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভিক্ষ লেগেই থাকতো। সেখানে ছুটে গেছি, মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। গ্রামের পর গ্রামে গিয়েছি, মানুষের শরীরে মাংস ছিল না চামড়া আর হাড় ছাড়া। এখন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পেরেছি।

আরও খবর